ভারতীয় কোস্ট গার্ড অফিসার নিয়োগ

ভারতীয় উপকূলরক্ষীবাহিনী কেন্দ্রিয় সারকার (ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড ), গেজেটড অফিসার পদমর্যাদার অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যন্ডান্ট ‘( ব্যাচ নং ০২/২০১৩) পদে ৭১ জন  ছেলেমেয়ে নিচ্ছে । কারা কোন পদের জন্য যোগ্যঃ

পদঃ-  (1) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট (জেনারেল ডিউটি) :
(2)  অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট (জেনারেল ডিউটি -কমার্শিয়াল পাইলট এন্ট্রি-এস.এস.এ.) :
(3) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট (টেকনিক্যাল-ইলেক্ট্রিক্যাল/ইলেক্ট্রনিক্স):
(4) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট (টেকনিক্যাল -মেকানিক্যাল) :
(5) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট (ল’ এন্ট্রি) :

এই  সব পদ খোলা রয়েছে কারা কোনপদের জন্য যোগ্য তার উপর ভিত্তি করে অনলাইনে দরখাস্ত করতে পারেন, ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ।

এবং ওপরের সব পদের বেলায় তপশিলীরা ডিগ্রি কোর্সে অন্তত ৫% নম্বরে ছাড় পাবেন। ও.বি.সি.’রা ৩ বছর, তপশিলীরা ৫ বছর বয়সে ছাড় পাবেন। শুরুতে ২ বছর প্রবেশন। ট্রেনিং হবে কেরলের ইঝিমালার ইন্ডিয়ান ন্যাভাল অ্যাকাডেমিতে। ট্রেনিংয়ের সময় স্টাইপেন্ড পাবেন। এছাড়া আছে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। খেলাধূলায় দক্ষতা বা, এন.সি.সি.’র সার্টিফিকেট থাকলে গুরুত্ব পাবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতায় পাওয়া নম্বরের শতকরা হার আর খেলাধূলা ও এন.সি.সি.’র সার্টিফিকেট দেখে প্রাথমিক বাছাই প্রার্থীদের ই-অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে।

প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য প্রথমে প্রিলিমিনারি সিলেকশন টেস্ট হবে নভেম্বর মাস নাগাদ।

 পরীক্ষাঃ-  পরীক্ষায় থাকবে ১০০টি এম.সি.কিউ. টাইপের প্রশ্ন এই সব বিষয়ে : ইংলিশ, রিজনিং অ্যান্ড নিউমেরিক্যাল এবিলিটি, জেনারেল সায়েন্স, ম্যাথমেটিক্যাল অ্যাপ্টিটিউট, জেনারেল নলেজ। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রার্থীদের বেলায় ইঞ্জিনিয়ারিং পার্ট থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নে থাকবে ৪ নম্বর। সময় থাকবে ২ ঘন্টা। সফল হলে দ্বিতীয় পর্যায়ের কগনিটিভ ব্যাটারি টেস্ট, পিকচার পার্সেপশন ও গ্রুপ ডিসকাশন, সাইকোলজিক্যাল টেস্ট, গ্রুপ টেস্ট ও ইন্টারভিউ হবে নয়ডা, চেন্নাই ও কলকাতায়। সবশেষে ডাক্তারি পরীক্ষা হবে। প্রথমে ২ সপ্তাহের ‘প্রি-ন্যাভাক ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম’ হবে নয়ডায়। সফল হলে বেসিক ট্রেনিং হবে ইঝিমালায়। তপশিলীরা পরীক্ষা দিতে যাতায়াতের রেল ভাড়া পাবেন। ২-৩ দিন থাকার প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাবেন।

জরুরি সূচনাঃ- এই ওয়েবসাইটে : www.joinindiancoastguard.cdac.in

অনলাইনে দরখাস্ত করার আগে বৈধ একটি ই-মেল আই.ডি. থাকতে হবে। এছাড়াও পাশপোর্ট মাপের ফটো, সিগনেচার-সহ যাবতীয় প্রমাণপত্র স্ক্যান করে নেবেন। প্রথমে ওপরের ওই ওয়েবসাইটে গিয়ে যাবতীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট করলেই নাম রেজিস্টেশন হয়ে যাবে।

পরীক্ষার ফীঃ-  পরীক্ষা ফী বাবদ ২৫০ টাকা অনলাইনে জমা দেবেন। তপশিলীদের ফী লাগবে না। টাকা জমা দেওয়ার পর সিস্টেম জেনারেটেড অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম প্রিন্ট করে নেবেন ।

Leave a Comment